আবু আয়শা
লেখক ও ইসলামিক কাউন্সেলর
নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা একজন অনুশীলনকারী মুসলিম—যিনি সেই সময়ের আন্তরিক সামাজিক জীবনের কিছুটা আজকের প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দিতে চান।

সালাফদের পথ, নব্বইয়ের স্মৃতি আর আজকের প্রশ্ন
- নব্বইয়ের দশকে বেড়ে ওঠা
- সালাফদের পথ অনুসরণের চেষ্টা
- মুসলিমদের চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে লেখা
৮০-এর দশকে আমার জন্ম। বড় হয়েছি এমন এক পরিবেশে, যেখানে ইসলামের মৌলিক বিধানগুলো পালন করা একপ্রকার বাধ্যতামূলকই ছিল; যদিও দ্বীনের অনেক বিষয় নিয়েই তখন নানা ভুল ধারণা প্রচলিত ছিল।
বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)-এ পড়াশোনা শেষ করার পর জীবনের এমন এক মোড় আসে, যখন সত্যিকারের ইসলামকে জানার ও মানার সুযোগ তৈরি হয়—যেই দ্বীন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের জন্য রেখে গেছেন এবং যার ওপর সুদৃঢ় ছিলেন সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সহ ইসলামের প্রথম তিন প্রজন্ম। সেই সত্যের খোঁজ ও তা মানার প্রচেষ্টা আজও জারি আছে, আর আল্লাহই সর্বত্তম জানেন কতটুকু সেই পথে টিকে আছি।
এই দীর্ঘ পথচলায় বহু তালেবে ইলম ও অভিজ্ঞ আলেমদের সাহচর্য পেয়েছি, গভীর অনুরাগে প্রচুর দ্বীনি বইয়ের সংস্পর্শে এসেছি, আর প্রতিনিয়ত নিজের ইলম ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি ভাই-বোনদের নানা পারিবারিক ও সামাজিক বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছি, পাশাপাশি সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে লিখালিখি করছি।
এই পরামর্শ ও কাউন্সেলিংয়ের কাজটিকে আরও নিখুঁত ও দায়িত্বশীল করার তাগিদ থেকেই বছরখানেক আগে 'ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি' (IOU)-তে সাইকোলজি ও ইসলামিক কাউন্সেলিংয়ের ওপর আমার দ্বিতীয় মাস্টার্স শুরু করি। ক্যারিয়ারের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে এমবিএ (MBA) করা থাকলেও কাউন্সেলিংয়ের ক্ষেত্রে একটি শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি থাকা জরুরি মনে হয়েছিল।
আমার এই ব্লগ ও ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য দুটি—এখানে একদিকে যেমন আমার লেখাগুলো নিয়মিত পাঠকদের জন্য থাকবে, অন্যদিকে যেকোনো দ্বীনি ভাই বা বোন প্রয়োজনে আমার সাথে সরাসরি কাউন্সেলিংয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন।
কোনো লেখা পড়ে ভালো লাগলে বা মতামত থাকলে কমেন্ট সেকশনে মন্তব্য রেখে যাওয়ার অনুরোধ রইল। আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন এবং এতে পূর্ণতা দান করুন। আমিন।


